সর্বশেষ

সোমবার থেকে ব্রিটেনে ভ্রমনে শর্তারোপ

  |  ০৫:৫৩, জানুয়ারি ১৬, ২০২১

দিনের পর দিন করোনাভাইরস মহামারির আক্রমন বেড়েই চলছে। কোন ভাবেই সমাধানের পথ খুঁজেপাচ্ছে না ব্রিটিশ সরকার। প্রথম করোনাভাইরস সামলে উঠলেও দ্বিতীয় বা নতুন ভাইরাসটির অনেক বেশী ভয়াবহ।

করোনাভাইরসের নতুন কোভিড ঝুঁকি থেকে রক্ষা পেতে সোমবার থেকে ব্রিটেন্র সমস্ত ভ্রমণ করিডোর বন্ধ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ব্রিটেনেরর বাইরে থেকে কেউ আসতে হলে তাকে যাত্রা করার ৭২ঘন্টা আগে কোভিড নেগেটিভ সাটিফিকেট পরীক্ষার প্রমাণ দেখাতে হবে।

সোমবার থেকে ব্রিটেনের আকাশ পথ, নৌ পথ, স্থল পথ সহ সকল ভ্রমন করিডোর সারা বিশ্বের সাথে সকল ধরনের ভ্রমনে এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে থাকবে। এই নিয়ম আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন “সমস্ত দেশের ভ্রমণকারীদের অবশ্যই পূর্ববর্তী ৭২ ঘন্টার মধ্যে নেওয়া নেতিবাচক কোভিড -১৯ পরীক্ষার সার্টিফিকেট সাথে রাখতে হবে এবং সেলফ আইসোলেশনের ৫ দিনের পরে অবশ্যই অন্য একটি পরীক্ষা দিতে হবে। সেই পরীক্ষায় নেগেটিভ হলে ভালো আর পজেটিভ হলে আবার ও আইসোলেশনে থাকতে হবে”।

করোনাভাইরাস বিশেষজ্ঞরা দেশের অভ্যন্তরে বেশ কয়েকটি নতুন স্ট্রেন শনাক্ত করার পরে এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকার মনে করে যে কোন উপায়েই হোক করোনাভাইরস মোকাবেলা করতে হবে। সেই হিসেবে যোগাযোগ বিছিন্ন করা এবং ঘরে থাকাই হচ্ছে একমাত্র পথ।

নতুন এই করোনাভাইরস একটি ব্রাজিল থেকে শুরু হয়েছিল এবং অন্যটি দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে পাওয়া গেছে। স্বনাক্ত করা হয়েছে ব্রিটেন থেকে ।

প্রধানমন্ত্রী আজ ডাউনিং স্ট্রিট সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন: ‘এটি স্পষ্টতই কারণ আমাদের এই ভ্যাকসিনের আশা এবং বিদেশ থেকে নতুন স্ট্রেনের ঝুঁকি রয়েছে যে আমাদের এই স্ট্রেনগুলি দেশে প্রবেশ বন্ধ করতে এখনই অতিরিক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। ‘

তিনি আরো বলেন “গতকাল আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম যে দক্ষিণ আমেরিকা এবং পর্তুগাল থেকে ফ্লাইটগুলি নিষিদ্ধ করছি।

অজানা অচেনা প্রবণতা ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে আমরা সোমবার থেকে সাময়িকভাবে সমস্ত ভ্রমণ করিডোরও বন্ধ করা হবে। যাতে কেউ কেউ যেতেও পারবেন এবং রোগ নিয়ে আসতেও পারবেন না”।
সকল প্রশাসন এক সাথে কাজ করবেন।
এটি পুরো ইউকে জুড়ে সোমবার থেকে নতুন আইন কার্যকর হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ