সর্বশেষ
 নকশী বাংলা ফাউন্ডেশন সিলেটের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সাবেক সাংসদ দিলদার হোসেন সেলিম এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এম আসকির আলী গ্রীসে বিয়ানীবাজার এর যুবক নিখোঁজ।খুঁজে পেতে সাহায্য কামনা স্পেনের রাজার কাছে পরিচয় পত্র প্রদান করলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সহজ হলো স্পেনের অভিবাসী আইন, সুবিধা পাবে বাংলাদেশিরা প্রফেসর সিরাজ ওয়াজিদ-এর ভ্রমণকাহিনী গ্রন্থ ‘ভারতের পথে পথে’ এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে গ্রীসে দুই ভাই এর খুনি শনাক্ত দুই নারীকে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ করেছিলেন মামুনুল ফরেন ফ্রেন্ডশিপ অর্গানাইজেশন ট্রাষ্টের উদ্যোগে মাহে রমজানের কর্মসূচী বাস্থবায়ন স্পেনের মাদ্রিদ কমিউনিটির আঞ্চলিক সংসদ নির্বাচনে প্রচারণা

বাংলাদেশ নিয়ে অমিত শাহের জ্ঞান সীমিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  |  ১৬:১২, এপ্রিল ১৪, ২০২১

বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা অমিত শাহের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশ নিয়ে তার জ্ঞান সীমিত। আমাদের দেশে এখন কেউ না খেয়ে মরে না। এখানে কোনো মঙ্গাও নেই।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন তিনি।

এ দিন কলকাতার দৈনিক আন্দবাজার পত্রিকাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে অমিত শাহ দাবি করে বলেছেন, বাংলাদেশে সীমান্তবর্তী এলাকার গরিব লোকেরা ঠিকমতো খেতে পাচ্ছে না বলেই ভারতে অনুপ্রবেশ করছে। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ বন্ধ করা হবে।

তার এই মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে ড. মোমেন বলেন, পৃথিবীতে অনেক জ্ঞানী লোক আছেন, দেখেও দেখেন না, জেনেও জানেন না। তবে তিনি (অমিত শাহ) যদি সেটা বলে থাকেন, আমি বলবো, বাংলাদেশ নিয়ে তার জ্ঞান সীমিত। বরং ক্ষেত্র বিশেষে বাংলাদেশ তাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভারতের লোকদের ৫০ শতাংশের কোনো ভালো বাথরুম নেই। আর আমাদের ৯০ শতাংশ লোকই ভালো বাথরুম ব্যবহার করেন। আমার দেশের শিক্ষিত লোকের চাকরির অভাব আছে, তবে অশিক্ষিত লোকের চাকরির অভাব নেই। আর ভারতের লক্ষাধিক মানুষ বাংলাদেশে চাকরি করে। তাই আমাদের ভারতে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।

তিনি বলেন, তারা যদি এ ধরনের চিন্তা করে থাকেন, তাহলে আমি বলবো, তাদের জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে হবে। আর তাদের মনে হয় আমরা সঠিক তথ্য জানাতে পারিনি। এটা আমাদের দীনতা। তাদের সঠিক তথ্য জানাতে আমরা সচেষ্ট থাকবো।

সাক্ষাৎকারে অমিত শাহ এক প্রশ্নের জবাবে দৈনিক আন্দবাজার পত্রিকাকে বলেন, পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় সমস্যা অনুপ্রবেশ। এটি ভারতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী একটি রাজ্য। পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে রাজনৈতিক কায়েমি স্বার্থের কারণে প্রথমে কমিউনিস্ট এবং পরে তৃণমূল অনুপ্রবেশকে মদত দিয়েছে, তাকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রতিরোধ করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা শুধু রাজ্যের নয়, গোটা দেশের জন্য চিন্তার। আগামী ১০ বছর পর কলকাতার নাগরিকও অনুপ্রবেশ থেকে বাঁচতে পারবে না।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ