সর্বশেষ

টিকা নিয়ে ক্ষমতাসীনরা দুর্নীতি করছে: ফখরুল

  |  ১৮:১২, জানুয়ারি ২৮, ২০২১

করোনার টিকা নিয়ে ক্ষমতাসীনরা দুর্নীতি করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ‘স্বাস্থ্য খাত ও প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্রের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, এত বড় একটা করোনা অতিমারী আমাদেরকে আক্রমণ করেছে, সারা বিশ্ব আক্রমণ করেছে এটাকে মোকাবিলা করার জন্য তাদের ভূমিকাটা দেখেন। প্রতিটি ক্ষেত্রে শুধু তারা দুর্নীতি করার জন্য কাজগুলো করেছে। এমনভাবে শুরু হয়েছে যে, এটা এখন ভঙ্গুর অবস্থায়। এখন ভ্যাকসিন নিয়ে শুরু হয়েছে। এই ভ্যাকসিনেও কীভাবে দুর্নীতি হচ্ছে। দুই ডলার ৩৩ সেন্ট দিয়ে কেনা ভ্যাকসিন এরা (সরকার) চার ডলার দিয়ে কিনছে। সেখানে মধ্যস্বত্ত্বভোগী তাদের নিজস্ব একজন সুবিধাভোগীকে তারা সেই দায়িত্ব অর্পণ করেছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের হাতে স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষ কোনো স্বাস্থ্য সেবা পায় না। এখানে উদ্দেশ্যমূলকভাবে সাধারণ মানুষ যাদের সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে স্বাস্থ্য সেবা পাওয়ার, সেটা তারা পাচ্ছে না। প্রতিটি ক্ষেত্রে দেখবেন এখানে একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে দুর্নীতি। যার ফলে কী করে জনগণের পকেট থেকে টাকা বের করে নিয়ে এসে তাদের পকেটে ভরবে। যার ফলে কী হয়েছে? দুই শ্রেণি হয়েছে। একটা দরিদ্র শ্রেণী আরেকটা বিত্তশালী শ্রেণী। বড় লোক শুধু বড়ই হয়েছে আর গরিবরা শুধু গরিবই হয়ে্ছে।

জিয়াউর রহমানের আমলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান তুলে ধরে ফখরুল বলেন, স্বাধীনতার যে সূবর্ণ জয়ন্তী আমরা পালন করতে যাচ্ছি, সেই জয়ন্তীতে আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে সবচেয়ে বড় ফোকাস পয়েন্টে নিয়ে আসার চেষ্টা করব এবং তার অবদানসমূহ নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। এই সরকার উদ্দেশ্যমূলকভাবে শহীদ জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করছে, ইতিহাসকে বিকৃত করছে।

এসময় সাতক্ষীরার সাবেক সংসদ সদস্য দলের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৩৫ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তারের নিন্দা জানান বিএনপি মহাসচিব।

তিনি বলেন, সরকার উদ্দেশ্যমূলকভাবে সমস্ত গণতান্ত্রিক শক্তিকে বিনষ্ট করতে চায়, সমস্ত গণতন্ত্রের যারা নেতা-কর্মী তাদেরকে ধ্বংস করতে চায়। তারই ফলশ্রুতিতে আজকে আমাদের বিরুদ্ধে ৩৫ হাজার মামলা, ৩৫ লক্ষ আসামি। সেই পুরনো মামলা নিয়ে আসছে। গত পরশু সাতক্ষীরায় ২০০২ সালের একটি মামলায় আমাদের দলের সম্পাদক সাবেক সাংসদ হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ প্রায় ৩৪ জনকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে। ৪ ফেব্রুয়ারি ওই পুরনো মামলার রায় হবে। সম্ভবত সেই মামলায় তাদেরকে সাজা দেওয়া হবে। এটা হচ্ছে সরকারের অপকৌশল যে, এভাবে জাতীয়তাবাদী, দেশপ্রেমিক শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করতে চায়। আমরা এই গ্রেপ্তারের নিন্দা এবং তাদের মুক্তি দাবি করছি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ