SylhetNewsWorld | মেডিকেল ও নার্সিং কলেজের ক্লাস শুরু ১৩ সেপ্টেম্বর - SylhetNewsWorld
সর্বশেষ
 স্পেনে বায়তুল মুকাররম মসজিদের খাদিম আব্দুস শুক্কুর অসুস্থঃদোয়া কামনা দারুল কিরাত মজিদিয়া ফুলতলি ট্রাস্ট মাদ্রিদ শাখার পুরস্কার বিতরণী সম্পন্ন স্পেনে অনুষ্ঠিত হলো বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি’র অভিষেক বাজেট অনুষ্ঠানে মেয়র আরিফের ঘোষণায় বিব্রত সাংবাদিকরা স্পেন থেকে আফগানিস্তান থেকে উদ্ধারকৃত ছয়জন বাংলাদেশীকে দেশে প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশ দূতাবাস এথেন্স-এ ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্ট সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন স্বাধীনতার সূবর্ন জয়ন্তিতে স্পেনে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল সম্পন্ন বসিলায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি বাড়িতে অভিযান, আটক ১ জার্মানি থেকে অবৈধ বাংলাদেশিদের দ্রুত ফেরাতে চায় সরকার অন্যকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ দিলেন রুশ মন্ত্রী

মেডিকেল ও নার্সিং কলেজের ক্লাস শুরু ১৩ সেপ্টেম্বর

  |  ১৭:০৮, সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১

আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের সকল মেডিকেল ও নার্সিং-এর সশরীরে ক্লাস শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মেডিকেল সংশ্লিষ্ট সকল কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ১৩ তারিখ থেকে সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। দু-একদিন এদিক-ওদিক হতে পারে।

তিনি বলেন, আমরা বলতে চাই আমাদের যে বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজ, নার্সিংসহ কয়েকশ প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করছে আনুমানিক দেড় লাখের মতো শিক্ষার্থী। তাদের লেখাপড়া ফিজিক্যালি বন্ধ ছিল দুই বছর, তারা অনলাইনে ক্লাস করছে।

জাহিদ মালেক বলেন, গত ফেব্রুয়ারি-মার্চ থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম বন্ধ করতে হয়েছে। লকডাউন দিতে হয়েছে করোনা নিয়ন্ত্রণের জন্য। সেই সাথে আমাদের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে হয়েছে। মেডিকেল শিক্ষা বিভিন্ন ক্লাস বন্ধ রাখতে হয়েছে। অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম বজায় রাখতে চেষ্টা করেছি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার জন্য বিভিন্ন দেশে শিক্ষাব্যবস্থায় বিপর্যয় নেমে এসেছে। আমাদের দেশেও বিভিন্ন কার্যক্রম নিতে হয়েছে। সবমিলিয়ে ৫০ হাজারের অধিক লোক নিয়োগ দিতে হয়েছে। চার হাজার ডাক্তার, আট হাজার নার্স নিয়োগ দিতে হয়েছে। এ কার্যক্রমগুলো চলমান আছে। ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমও পুরোদমে চালু আছে।

তিনি বলেন, মেডিকেল-নার্সিংয়ে আমাদের দেড় লাখ শিক্ষার্থী আছে। রোগীর কাছে তাদের যেতে হবে। তাহলে সে পরিপূর্ণ শিক্ষা পাবে না। আমাদের টেকনিক্যাল কমিটি, ভিসি মহোদয়রা, মন্ত্রণালয়ের সচিব, ডিজিরা, সকলের মতামত নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের ফিজিক্যালি ক্লাস শুরু করা দরকার। না হলে অনেক বড় গ্যাপ পড়ে যাবে। আমরা ইন্টার্ন ডাক্তার পাবো না। সে সকল চিন্তা করে আমরা প্রথম, দ্বিতীয় ও পঞ্চম বর্ষের ক্লাস সরাসরি নিতে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, টিকা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দিয়েছি। তাদের সুরক্ষিত করার চেষ্টা করেছি। ক্লাসে গেলে মাস্ক পরতে হবে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। পর্যায়ক্রমে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা পর্যায়ক্রমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলব। কোনো সমস্যা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা করবো। রোগীর কাছে শিক্ষার্থীদের যেতে হবে। যথাযথ নিরাপত্তর সাথে তাদের রোগীর কাছে নিতে হবে। সেখান থেকে তারা চিকিৎসা দেয়া শিখবে। সে জন্য নন-কোভিড রোগীদের কাছে নেবো। পর্যায়ক্রমে কোভিড রোগীদের কাছেও নেবো। এটি আমাদের আজকের সিদ্ধান্ত।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ