SylhetNewsWorld | কম্পিউটারে কোভিডের সঙ্গে লড়াই - SylhetNewsWorld
সর্বশেষ
 স্পেনে বায়তুল মুকাররম মসজিদের খাদিম আব্দুস শুক্কুর অসুস্থঃদোয়া কামনা দারুল কিরাত মজিদিয়া ফুলতলি ট্রাস্ট মাদ্রিদ শাখার পুরস্কার বিতরণী সম্পন্ন স্পেনে অনুষ্ঠিত হলো বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি’র অভিষেক বাজেট অনুষ্ঠানে মেয়র আরিফের ঘোষণায় বিব্রত সাংবাদিকরা স্পেন থেকে আফগানিস্তান থেকে উদ্ধারকৃত ছয়জন বাংলাদেশীকে দেশে প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশ দূতাবাস এথেন্স-এ ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্ট সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন স্বাধীনতার সূবর্ন জয়ন্তিতে স্পেনে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল সম্পন্ন বসিলায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি বাড়িতে অভিযান, আটক ১ জার্মানি থেকে অবৈধ বাংলাদেশিদের দ্রুত ফেরাতে চায় সরকার অন্যকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ দিলেন রুশ মন্ত্রী

কম্পিউটারে কোভিডের সঙ্গে লড়াই

  |  ১৬:১৯, আগস্ট ২৬, ২০২১

কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ যখন বেড়ে চলেছে তখন তার বিরুদ্ধে সম্মুখ সাড়িতে দাড়িয়ে লড়ছেন চিকিৎসক স্টিভেন ব্রাউন। ৬৬ বছর বয়স্ক এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রাতভর কাজ করে চলেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলজুড়ে শত শত আইসিইউতে থাকা রোগী সামলাচ্ছেন তিনি। এরমধ্যে অর্ধেকেরই বেশি কোভিড আক্রান্ত, অনেকেই আবার ভেন্টিলেটরে আছে। আর এতোসব কিছু স্টিভেন করছেন তার বাড়ি থেকে।

নিজের কক্ষে তিনি চারটি বড় কম্পিউটার স্ক্রিন ও দুটো ল্যাপটপ নিয়ে ব্যাস্ত থাকেন। তিনি নিজের কাজকে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের সঙ্গে তুলনা করেন। নিজের বাসায় বসেই তিনি রোগীদের চার্ট, এক্স-রে রিপোর্ট পর্যবেক্ষন করেন। এমনকি আইসিইউতে থাকা বিশেষ ক্যামেরার মাধ্যমে তিনি রোগীও দেখেন।

এবিসি নিউজকে তিনি জানান, প্রতি রুমে আলাদা আলাদা ক্যামেরা থাকে যা তিনি বাড়িতে বসে নিয়ন্ত্রণ করেন। দূরে থাকলেও চাইলেই প্রতিটি রোগীকে ভালোভাবে পর্যবেক্ষন করতে পারেন তিনি। তিনি রোগীর গলার মধ্যেও দেখতে পারেন। তারা কীভাবে তাদের পেশিগুলো পরিচালনা করছেন কিংবা তাদের কোনো শ্বাসকষ্ট হচ্ছে কিনা তাও তিনি দেখেন। এমনকি রোগীর ভেন্টিলেটরের সেটিং পরিবর্তন করাও তার হাতে রয়েছে।

এখন তার রোগীদের বেশিরভাগই ভেন্টিলেটরে থাকা কোভিড রোগী। ১২ ঘন্টা করে প্রতিদিন তার শিফট। তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে তার রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। তবে অন্য চিকিৎসকরা যেখানে দৈনিক ৮ থেকে ১০ জন রোগীকে দেখেন সেখানে স্টিভেন দেখতে পারেন দশগুনেরও বেশি। যদিও এমন অনলাইনে কাজ করা স্টিভেনের জন্য নতুন কিছু নয়। এভাবে তিনি দীর্ঘ ১২ বছর কাজ করেছেন। বয়সের কারণে সরাসরি কোভিড-১৯ রোগীর চিকিৎসা করাও তার জন্য কঠিন। তাই যখন মহামারি শুরু হলো তখন তিনি তার বাড়িতেই সকল যন্ত্রপাতি বসিয়ে নিলেন এবং সেখান থেকেই কাজ করতে শুরু করেন। এমনটাই চলছে গত দেড় বছর ধরে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ