সর্বশেষ
 আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই এসেছে বাঙালির সব অর্জন: তথ্যমন্ত্রী ইরানের নতুন প্রেসিডেন্টকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন ভারত টিকার টাকা ফেরত দেবে কি না, যা বললেন অর্থমন্ত্রী ইরানের ওপর থেকে ১০৪০টি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে রাজি যুক্তরাষ্ট্র জেনে বুঝেই এনআইডি সেবাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একদিনে শনাক্ত সাড়ে ৫ হাজার ছাড়িয়েছে, মৃত্যু আরও ৮৫ বৃটিশ যুদ্ধজাহাজের দিকে গোলা ছুড়ল রাশিয়া বাঘার সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকিত স্মরনে প্যারিসে শোকসভা সুইজারল্যান্ডে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ইউরো-বাংলা প্রেসক্লাবের মহিলা সম্পাদিকা সুলতানা খান ভারতে ধরা পড়ল করোনার ডেল্টা প্লাস প্রজাতি, আক্রান্ত ২১

মাহির সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে যা বললেন সিলেটী দামান্দ অপু

  |  ০৫:৪১, মে ২৪, ২০২১

মাহিয়া মাহি তার পাঁচ বছরের সংসারে ভাঙ্গনের ইঙ্গিত দিয়েছেন এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে। বিষয়টি আরও পরিষ্কার করে জানিয়ে দিলেন তার স্বামী পারভেজ মাহমুদ অপু। তিনি বলছেন, আইনিভাবে ছাড়াছাড়ি হয়নি। তবে শিগগির আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

পারভেজ মাহমুদ অপু বলেন, ‘পরিষ্কার করে বলছি, আমরা একসঙ্গে আর থাকতে পারছি না। দুজনের কিছু জায়গায় মিলছে না। মতের অমিল হচ্ছে, এজন্য একসঙ্গে থাকা সম্ভব হচ্ছে না। সেজন্য আমরা আলাদা হয়ে যাচ্ছি।’

তবে মাহিয়া মাহির সঙ্গে সম্পর্ক এখনো ভালো আছে বলে জানান পারভেজ মাহমুদ অপু। তার কথায়, ‘আমরা আলাদা থাকিনি। একসঙ্গে যাওয়া-আসা, কথা আছে। রোজার সময় আমাকে নিয়ে সে ফেসবুকে ছবিও পোস্ট করেছে। তবে আমরা আলাদা হয়ে যাচ্ছি। পরিবার জানিয়েছে, সংসার যেহেতু আমাদের, সিদ্ধান্তটাও যেন আমরাই নিই। তাই একসঙ্গে থাকা বা না থাকার সিদ্ধান্ত আমার। তাই আল্টিমেট সিদ্ধান্ত মাহির সঙ্গে আমার ছাড়াছাড়ি হয়ে যাচ্ছে।’ অপু জানান, এখনো তারা স্বামী-স্ত্রী। আইনিভাবে ছাড়াছাড়ি হয়নি। তবে শিগগির আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে ২০১৬ সালে বিয়ে করেছিলেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। বেশ সুখী দম্পতি হিসেবেই পরিচিত ছিলেন তারা। যদিও বেশ কয়েকবার ভাঙনের গুঞ্জন উঠেছে। তবে প্রতিবারই স্বামীর সঙ্গে রোমান্টিক ছবি কিংবা স্ট্যাটাসে সেসব গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন ‘অগ্নি’কন্যা মাহি। এবার আর কোনো গুঞ্জন নয়, তা মাহির স্বামীও জানিয়ে দিলেন।

গতকাল শনিবার রাতে মাহি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে লিখেছেন, এই পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষটার সাথে থাকতে না পারাটা অনেক বড় ব্যর্থতা। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শ্বশুরবাড়ির মানুষগুলোকে আর কাছ থেকে না দেখতে পাওয়াটা, বাবার মুখ থেকে মা জননী, বড় বাবার মুখ থেকে সুনামাই শোনার অধিকার হারিয়ে ফেলাটা সবচেয়ে বড় অপারগতা। আমাকে মাফ করে দিও। তোমরা ভালো থেকো। আমি তোমাদের আজীবন মিস করব।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ