কেমুসাস বইমেলায় ‘শাখা বরাকের বাঁকে’ কাব্য গ্রন্থের প্রকাশনা

প্রকাশিত: ৮:৫৯ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৫, ২০২৩ | আপডেট: ৮:৫৯:অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৫, ২০২৩

বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ও ছড়াকার অজিত রায় ভজন বলেছেন, একেকটা বই একেকটা জানালার মতো। ঘরের জানালা দিয়ে যেমন বাইরে সব কিছু দেখা যায়, তেমনি বই পড়লেও আগমীটা দেখা যায়।’ বই বিষয়ে বারট্রান্ড রাসেল বলেছেন, ‘সংসারে জ্বালা-যন্ত্রণা এড়াবার প্রধান উপায় হচ্ছে, মনের ভিতর আপন ভুবন সৃষ্টি করে নেওয়া এবং বিপদকালে তার ভিতর ডুব দেওয়া। যে যত বেশি ভুবন সৃষ্টি করতে পারে, যন্ত্রণা এড়াবার ক্ষমতা তার ততই বেশি হয়।’

তিনি মঙ্গলবার (০৫ ডিসেম্বর) সিলেট কেমুসাস বইমেলার ৫ম দিনে ‘শাখা বরাকের বাঁকে’ কাব্য গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখছিলেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন, দুই বাংলার জনপ্রিয় ছড়াকার জয়নাল অবেদিন জুয়েল।

কবি ও কথা সাহিত্যিক আফতাব আল মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বইমেলা উদযাপন কমিটির আহবায়ক অধ্যক্ষ ছয়ফুল করিম চৌধুরী হায়াত, সরকারী টিচার্স ট্রেনিং কলেজের সহযোগি অধ্যাপক মো.ফরিদুল হক। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান জসিম বুক হাউজ প্রকাশনীর প্রকাশক ও সত্ত্বাধিকারী মো জসিম উদ্দিন। অনুভুতি প্রকাশ করেন ‘শাখা বরাকের বাঁকে’ কাব্য গ্রন্থের লেখক মো. ইব্রাহীম মিয়া।

মোস্তাফিজ সৈয়দের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন, সিনিয়র সাংবাদিক দেবব্রত রায় দিপন, লেখক ছয়ফুল আলম পারুল, ছড়াকার শহিদুল ইসলাম লিটন, সাবেক ওসি ও বিশিষ্ট কবি অঞ্জন কুমার পাল, ঔপন্যানিক সিরাজুল ইসলাম, ব্যাংকার জগলুল হক, সার্জন টিভি র পরিচালক জুবের আহমদ সার্জন, ফারহানা,কবি ও ছড়াকার শাহ সরোয়ার আলী বিশিষ্ট লেখক মহিবুল ইসলাম ফারুক ও সাংবাদিক আবদুল ওয়াহিদ চৌধুরী।

মূল প্রবন্ধ আলোচনায় বিশিষ্ট ছড়াকার জয়নাল আবেদিন জুয়েল বলেন, বইমেলা বাঙালির সার্বজনীন উৎসব। লেখক, প্রকাশক আর পাঠকের মিলনমেলা। এই মেলাকে কেন্দ্র করেই প্রকাশিত হয় শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ সৃজনশীল বই। একটি জাতিগোষ্ঠীর সভ্যতা বিনির্মাণ ও জ্ঞানগত উন্নয়নে বইমেলা ব্যাপক কার্যকরী ভূমিকা রাখে।