প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিলেট আগমন উপলক্ষে দায়িত্বশীলতা, কর্মদক্ষতা এবং সফলভাবে পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম সম্পাদনের স্বীকৃতিস্বরূপ সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মীদের পুরস্কৃত করেছেন সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে নগরভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।এ সময় সিসিক প্রশাসক বলেন, “বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফরকে সামনে রেখে পুরো নগরকে পরিচ্ছন্ন রাখা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। আমাদের কর্মীরা আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে সেই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন।”তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে সিলেট নগর যেভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ছিল, সেই মান আমাদের সবসময় ধরে রাখতে হবে। শুধু বিশেষ দিন বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির আগমন উপলক্ষে নয়, প্রতিদিনই যেন আমরা সেই মানসিকতা নিয়ে কাজ করি। প্রত্যেক দিনকেই প্রধানমন্ত্রীর আগমনের দিন মনে করে নগর পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।”আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের প্রস্তুতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “কোরবানির ঈদে নগর পরিচ্ছন্ন রাখা আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। প্রধানমন্ত্রী ১২ ঘণ্টার মধ্যে নগর পরিষ্কারের নির্দেশনা দিয়েছেন। তবে সিলেট তুলনামূলক ছোট শহর হওয়ায় আমরা ৮ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি। এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে আমাদের সফল হতে হবে।”তিনি বলেন, “নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া কোনো পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শতভাগ সফল করা সম্ভব নয়। তাই সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে নাগরিক সচেতনতার বিকল্প নেই।”কর্মীদের উদ্দেশে সিসিক প্রশাসক বলেন, “আপনারা শুধু কর্মচারী নন, নগরকে বাসযোগ্য ও সুন্দর রাখার যোদ্ধা। আপনাদের শ্রম, ত্যাগ ও আন্তরিকতার কারণেই নগরবাসী পরিচ্ছন্ন পরিবেশে বসবাস করতে পারছেন। নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলে অবশ্যই আপনাদের কাজের মূল্যায়ন হবে।”অনুষ্ঠানে সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
