আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির বর্জ্য দ্রুততম সময়ে অপসারণে নগরবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে নগরভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।
সিসিক প্রশাসক বলেন, “অনেক সময় কোরবানির পশুর নাড়িভুঁড়ি, রক্ত ও অন্যান্য বর্জ্য যত্রতত্র ফেলে রাখা হয়। এতে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের জন্যও হুমকি তৈরি হয়। একই সঙ্গে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদেরও বর্জ্য অপসারণে বাড়তি ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়।”
তিনি আরও বলেন, “নগর পরিষ্কার রাখতে সিটি কর্পোরেশনের কর্মীদের দিনরাত পরিশ্রম করতে হয়। বিশেষ করে ঈদুল আজহায় কোরবানির পশু জবাইয়ের পর রক্ত, নাড়িভুঁড়ি, গোবর ও পশুর হাটের বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং কাজ। এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতন সহযোগিতা খুবই প্রয়োজন।”
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, প্রত্যেক কোরবানিদাতার কাছে পরিবেশবান্ধব পলিব্যাগ পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “কোরবানির বর্জ্য নির্ধারিত পলিব্যাগে ভরে সিসিক কর্মীদের কাছে হস্তান্তর করলে দ্রুততম সময়ে বর্জ্য অপসারণ করে নগরকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।”
সভায় সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার বলেন, “বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সিলেট সিটি কর্পোরেশন অতীতেও সফলতার পরিচয় দিয়েছে। এবারও কোরবানির ৮ ঘণ্টার মধ্যেই নগরের সব বর্জ্য অপসারণ করে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।”
সভায় বিভিন্ন ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মোহাম্মদ উল্লাহ সজিব, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
