সর্বশেষ
 আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই এসেছে বাঙালির সব অর্জন: তথ্যমন্ত্রী ইরানের নতুন প্রেসিডেন্টকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন ভারত টিকার টাকা ফেরত দেবে কি না, যা বললেন অর্থমন্ত্রী ইরানের ওপর থেকে ১০৪০টি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে রাজি যুক্তরাষ্ট্র জেনে বুঝেই এনআইডি সেবাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একদিনে শনাক্ত সাড়ে ৫ হাজার ছাড়িয়েছে, মৃত্যু আরও ৮৫ বৃটিশ যুদ্ধজাহাজের দিকে গোলা ছুড়ল রাশিয়া বাঘার সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকিত স্মরনে প্যারিসে শোকসভা সুইজারল্যান্ডে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ইউরো-বাংলা প্রেসক্লাবের মহিলা সম্পাদিকা সুলতানা খান ভারতে ধরা পড়ল করোনার ডেল্টা প্লাস প্রজাতি, আক্রান্ত ২১

অভিযোগের ভিত্তিতে দোয়ারাবাজার থানায় ওসি প্রত্যাহার

  |  ০৭:৩১, জুন ০২, ২০২১

সুনামগঞ্জের ‘বিতর্কিত’ পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মোহাম্মদ নাজির আলমকে অবশেষে দোয়ারাবাজার থানা হতে বদলি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়র্টার্সের অ্যাডিশনাল আইজি ড. মো. মইনুর রহমান চৌধুরী স্বাক্ষরিত (এএন্ডও) আদেশে তাকে বদলি করা হয়।

একইসঙ্গে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশে সংযুক্ত করা হয়েছে।

আদেশের অনুলিপি পুলিশের অন্য দায়িত্বশীল দপ্তরসহ সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপারকেও প্রেরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে জানতে চাইলে পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মোহাম্মদ নাজির আলম তার বদলির আদেশ প্রাপ্তির বিষয়টি স্বীকার করেন।

২০২০ সালের ২৩ আগস্ট দোয়ারাবাজার থানায় ওসি হিসাবে যোগদান করেন মোহাম্মদ নাজির আলম।

যোগদানের পর সীমান্তঘেষা ওই থানা এলাকার মাদক, গবাদী পশুসহ নানা চোরাচালান বন্ধে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। তার সময়ে বিনা গ্রেফতারি পরোয়ানায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে গ্রেফতার করে হয়রানির ঘটনা ঘটেছে।

তার দায়িত্বকালে ধর্ষণ, চোরাচালান, সংঘর্ষসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকর্মকাণ্ডে ওই থানা এলাকায় আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি দেখা দেয়।

এসব নিয়ে জাতীয় সব দৈনিকে অনেক সংবাদও ছাপানো হয়েছে। সর্বশেষ নানা সময়ে ওসি নাজির আলমের ঘুষ, দুর্নীতি,অনিয়ম, মামলা হয়রানি বাণিজ্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেন সাংবাদিক এনামুল কবির মুন্না।

পেশাগত দায়িত্বপালনে র‌্যাব কর্তৃক আটককৃত ইয়াবা ও মামলার আসামিদের তথ্য সংগ্রহ করতে গত ২১ মে ওই সাংবাদিক থানায় গেলে তাকে থানায় আসতে নিষেধ করেন ওসি নাজির আলম।

এরপর থানার অন্যান্য অফিসার পুলিশ সদস্য ও কথিত এক আওয়ামী লীগ নেতাকে লেলিয়ে দিয়ে সাংবাদিক মুন্নাকে লাঞ্চিত করেন ওসি।

সেই ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা গেছে, সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক মুন্নাকে ওসি নাজির আলম বকাঝকা করছেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক তাৎক্ষণিকভাবে সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপারকে অবহিত করলেও কোনো প্রতিকার না পেয়ে পরবর্তীতে পুলিশের মহা পরিদর্শক (আইজিপি) বরাবর অভিযোগ করেন।

প্রকাশিত সব সংবাদ ও অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে ওসি নাজির আলমের বিরুদ্ধে পুলিশ হেডকোয়ার্টারের পক্ষ থেকে গোপন তদন্ত শুরু হয়। তদন্তে ওসির নানা অপকর্ম উঠে আসে।

এ সময় বদলির আশংকা আঁচ করতে পেরে নিজের লালিত লোকজনকে দিয়ে গত কয়েকদিন পূর্বে ওসি নিজেই তার পক্ষে মানববন্ধন সমাবেশ করেন। কথিত সংবাদকর্মীদের দিয়ে নিজেকে মানবিক জাহির করতে কয়েকটি অনলাইন ও স্থানীয় কাগজে সংবাদ প্রকাশ করান তিনি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ