সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরের উন্নয়নে কোনো ধরনের ঘাটতি রাখতে চায় না সিটি কর্পোরেশন। পুরোনো ওয়ার্ডগুলোর মতো সম্প্রসারিত ওয়ার্ডগুলোতেও সমানভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তবে একটি উন্নত, পরিচ্ছন্ন ও সমৃদ্ধ নগর গড়ে তুলতে হলে নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কর পরিশোধে সচেতন হলেই এগোবে নগর উন্নয়ন।
মঙ্গলবার বিকেলে ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের উন্নয়ন কার্যক্রম টেকসইকরণ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নগরের তাওয়াক্কুল কমপ্লেক্সে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সিসিক প্রশাসক বলেন, “সিটি কর্পোরেশনের কাজ শুধু রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সড়ক আলোকিতকরণ, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ, স্বাস্থ্যসেবা, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনসহ নাগরিক জীবনের বহুমুখী সেবা প্রদান করতে হয়। কিন্তু এসব কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব আয় খুবই সীমিত। ফলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “নগরবাসী নিয়মিত কর পরিশোধ করলে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে। তাই সবার প্রতি আহ্বান থাকবে—নিজ নিজ দায়িত্ব থেকে সময়মতো কর পরিশোধ করে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করুন।”
সভায় ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন চাহিদা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা মতামত তুলে ধরেন। এ সময় সিসিক প্রশাসক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় আরও বক্তব্য দেন ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের মুরুব্বি অধ্যাপক মো. আব্দুল জব্বার, মো. অলিউর রহমান, শিব্বির আহমদ, সিরাজ উদ্দিন আহমদ, সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, আব্দুল বাসিত ও আখতার সিদ্দিকী বাবলুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
মতবিনিময় সভায় ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
