দক্ষিণ সুরমার বিশিষ্ট মুরুব্বি মখন মিয়ার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও কুলখানী সম্পন্ন

লেখক: সিলেট নিউজ ওয়ার্ল্ড
প্রকাশ: ২ ঘন্টা আগে

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার বিশিষ্ট সালিশী ব্যক্তিত্ব, দক্ষিণ আলমপুর জামে মসজিদের মুতাওয়াল্লী ও হযরত শাহজালাল লতিফিয়া হাফিজিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্টাতা সভাপতি হাজী মো. মখন মিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় এক দোয়া মাহফিল ও কুলখানী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ আলমপুরস্থ নিজ বাড়িতে মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
দোয়া মাহফিলে মোনাজাত পরিচালনা করেন আল্লামা মুফতী মাওলানা গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ছাহেবজাদায়ে ফুলতলী।
দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে মুরব্বিয়ান, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবী, সাংবাদিক, এডভোকেট, ব্যবসায়ী, যুবসমাজ-সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অসংখ্য মানুষ অংশ গ্রহণ করায় সাবেক মেম্বার মরহুম মো. মখন মিয়ার ছেলে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবী মো. শামীম কবীর, ভূমি অফিসার (তহশিলদার) মো. শাহীন কবীর, ব্যবসায়ী মো. ছালিম কবীর, মো. সুলেমান আহমদ, মো. সুহেল আহমদ এবং কানাডা প্রবাসী মো. সামুন কবীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পিতার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
দোয়া মাহফিলে জান আলী শাহ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবী হাজী মো. মখন মিয়ার সৃতিচারণ করে বিশিষ্টজনেরা বক্তব্য রাখেন ও উপস্তিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মরহুম হাজী মখন মিয়া ছিলেন একজন সৎ, বিনয়ী, পরোপকারী ও মানবিক গুণাবলীর অধিকারী ব্যক্তি। তিনি আজীবন শিক্ষা বিস্তার, সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে এলাকার মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। সমাজের উন্নয়ন, ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বক্তারা আরও বলেন, মরহুম হাজী মখন মিয়া কেবল একজন সমাজসেবীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় আদর্শ। তিনি শিক্ষার প্রসারে নিরলসভাবে কাজ করার পাশাপাশী সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে সর্বদা আন্তরিক ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর সততা, উদারতা, ধর্মপরায়ণতা ও মানবসেবার আদর্শ আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। বক্তারা মরহুম মখন মিয়ার বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, তাঁর মতো সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ মানুষ সমাজে বিরল। তাঁর অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ রাখবেন এলাকাবাসী।