SylhetNewsWorld | ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়াসহ তিন জন রিমান্ডে - SylhetNewsWorld
সর্বশেষ
 স্পেনে বায়তুল মুকাররম মসজিদের খাদিম আব্দুস শুক্কুর অসুস্থঃদোয়া কামনা দারুল কিরাত মজিদিয়া ফুলতলি ট্রাস্ট মাদ্রিদ শাখার পুরস্কার বিতরণী সম্পন্ন স্পেনে অনুষ্ঠিত হলো বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি’র অভিষেক বাজেট অনুষ্ঠানে মেয়র আরিফের ঘোষণায় বিব্রত সাংবাদিকরা স্পেন থেকে আফগানিস্তান থেকে উদ্ধারকৃত ছয়জন বাংলাদেশীকে দেশে প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশ দূতাবাস এথেন্স-এ ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্ট সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন স্বাধীনতার সূবর্ন জয়ন্তিতে স্পেনে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল সম্পন্ন বসিলায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি বাড়িতে অভিযান, আটক ১ জার্মানি থেকে অবৈধ বাংলাদেশিদের দ্রুত ফেরাতে চায় সরকার অন্যকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ দিলেন রুশ মন্ত্রী

ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়াসহ তিন জন রিমান্ডে

  |  ১৬:১৭, আগস্ট ২৩, ২০২১

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন ও তার স্বামী মাসুকুর রহমানসহ তিনজনকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

দেশীয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জ শপের বিরুদ্ধে এক হাজার ১শ’ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূইয়া তাদের এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ডভূক্ত অপর আসামি হলেন, প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) আমান উল্লাহ।

আজ মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সোনিয়া দম্পতিসহ তিন জনের দশ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত সোমবার ই-অরেঞ্জ শপের বিরুদ্ধে এক হাজার ১শ’ কোটি টাকা প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেন তাহেরুল ইসলাম নামে এক ভুক্তভোগী। মামলায় তিনি ই-অরেঞ্জের পাঁচ কর্মকর্তাসহ সব মালিককে আসামি করেছেন। এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামি ২০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য রয়েছে।

গত ২৮ এপ্রিল থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের পণ্য কেনার জন্য টাকা দেওয়া হয়, যা একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের পর ই-অরেঞ্জ কোম্পানির ডেলিভারি দেওয়ার কথা ছিল। ‘ভূক্তভোগীরা ই-অরেঞ্জের অফিসে গিয়ে ডেলিভারি দেওয়ার কথা বললে অফিসে কর্মরত কর্মকর্তারা ও মালিকপক্ষ জানান কিছুদিনের মধ্যে পণ্যগুলো ডেলিভারি হবে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো পণ্য ডেলিভারি না করে এক লাখ ভুক্তভোগীর প্রায় এক হাজার একশ’ কোটি টাকা প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎ করেছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

করোনাকালীন ভুক্তভোগীদের কষ্টার্জিত অর্থের নিশ্চয়তা না দিয়ে ই-অরেঞ্জ তাদের মালিকানা পরিবর্তনের নামে ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছে। নতুন মালিক ও পুরোনো মালিকের কোনো তথ্য ভূক্তভোগীদের সামনে প্রকাশ করা হচ্ছে না। এছাড়া আসামিরা সবধরনের অফিসিয়াল কার্যক্রম বন্ধ করে গাঢাকা দিয়েছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ