গোবিন্দগঞ্জ কলেজ ছাত্রশিবির -ছাত্রদলের মধ্যে ঘটে যাওয়া বিরোধ নিষ্পত্তি

লেখক: সিলেট নিউজ ওয়ার্ল্ড
প্রকাশ: ৩ ঘন্টা আগে

স্টাফ রিপোর্টার:গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি ডিগ্রি কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার শান্তিপূর্ণ মীমাংসা হয়েছে।

আজ ৩ অক্টোবর গোবিন্দগঞ্জ এলাকার বিশিষ্ট সালিস ব্যক্তিত্ব আবুল লেইছ মো. আব্দুল কাহহারের বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয় আপস-মীমাংসা বৈঠক। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ছাতক উপজেলার সাবেক আমীর ও সুনামগঞ্জ জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের উপজেলা ও কলেজ শাখার নেতৃবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ছাতক উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ফারুক আহমদ, উপজেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মাস্টার ফজলুল করিম বকুল, জেলা কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম , এনামুল হক, ছাদিকুর রহমান, সামসুল হক মেম্বার, দিল হোসেন মেম্বার সহ ছাত্রদল ও কলেজ শাখার নেতৃবৃন্দ।

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম তালুকদার, ছাতক উপজেলা আমীর মাওলানা আকবর আলী, সাবেক আমীর মাওলানা মখছুছুর রহমান, ছাত্রশিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট সুফি আলম সোহেল, ছাতক উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি হাফিজ মাওলানা জাকির হোসেন, আব্দুল হাই আজাদ, সৈদেরগাঁও ইউপি সদস্য হোসাইন আহমদ লনি, মাওলানা ফিরুজ আহমদ, ডা. মুজিবুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল আউয়াল, সৈদেরগাঁও ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা সালাহ উদ্দিন, আব্দুল ওয়াদুদসহ জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতৃবৃন্দ।

এ ছাড়া ছাত্রদলের মাহবুব, গোবিন্দগঞ্জ কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি সাদ মিয়া ও সেক্রেটারি সুবেদ মিয়া এবং ছাত্রশিবিরের ছাতক উপজেলা সভাপতি রবিউল ইসলাম, গোবিন্দগঞ্জ কলেজ সভাপতি জুনেদ আহমদ, সেক্রেটারি মাহফুজ, ছাত্রনেতা লায়েকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে উভয় ছাত্র সংগঠনের কলেজ নেতৃবৃন্দ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকবে–এটাই স্বাভাবিক। তবে মতের ভিন্নতার পাশাপাশি থাকতে হবে সহনশীলতা, সম্প্রীতি, সহমত ও ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা। মতপার্থক্য যেন কখনো সংঘাতে রূপ না নেয়, বরং যুক্তি, শালীনতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার মাধ্যমে রাজনৈতিক সংস্কৃতি আরও সমৃদ্ধ হয়–এটাই প্রত্যাশা।

কলেজ ক্যাম্পাস কোনো সংঘাতের জায়গা নয়; এটি জ্ঞান, শিক্ষা, নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ার স্থান। তাই রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখা সবার দায়িত্ব।

কলেজ ও গোবিন্দগঞ্জ এলাকায় রাজনৈতিক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে ১০ সদস্যের একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।