ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেট লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান (এইচএমসি) মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেছেন, দুনিয়ায় প্রকৃত শান্তি অর্জন করতে হলে কোরআনের শিক্ষা ও মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করা ছাড়া বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, যারা সত্যিকার ঈমান নিয়ে কোরআনের পথে চলবে এবং সৎ ও যোগ্য মানুষ হিসেবে সমাজে দায়িত্ব পালন করবে, আল্লাহ তাদের জন্য পবিত্র ও সম্মানিত জীবন দান করবেন।
তিনি আরও বলেন, মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী। আজ আমরা পৃথিবীতে আছি, কিন্তু ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমাদের কর্মই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাই দুনিয়ার শান্তি ও আখিরাতের মুক্তি লাভের জন্য সর্বদা আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, চিকিৎসা পেশা শুধু একটি পেশা নয়; এটি মানবতার সেবার অন্যতম মহান ক্ষেত্র। রমজানের শিক্ষা ধারণ করে মানবিকতা, সততা ও দায়িত্ববোধের সাথে রোগীদের সেবা করার জন্য তিনি চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানান।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) নগরীর আমান উল্লাহ কনভেনশন সেন্টার-এ সিলেটের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেট লিমিটেডের উদ্যোগে চিকিৎসকদের নিয়ে ‘মাহে রমজানের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেট লিঃ-এর এজিএম ও হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মোহাম্মদ ওবায়দুল হকের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়-এর ভিসি প্রফেসর ডা. ইসমাইল পাটওয়ারী, উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) ইফতেখার উদ্দিন, ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেট লিঃ-এর পরিচালক আব্দুল কাদির খান, পরিচালক ডা. মুদাব্বির হোসেন, ডিএমএস কর্নেল (অব.) ডা. রুকনুল ইসলাম চৌধুরী, এডিএমএস মেজর (অব.) আ. সালাম চৌধুরী, ম্যানেজার (এডমিন ও ইনচার্জ) মো. বেলাল হোসাইন, এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডা. সালেহ আহমদ শাহীন, রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর ভাইস প্রিন্সিপাল প্রফেসর ডা. এ কে এম দাউদ।
এছাড়াও সিলেটের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যাপক, বিভাগীয় প্রধান, সিনিয়র ও জুনিয়র কনসালটেন্টবৃন্দ এবং ইবনে সিনা হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ইফতার মাহফিলে মাহে রমজানের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফিজ মাওলানা মিফতাহ উদ্দিন আহমদ। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফিজ ডা. মিসবাহ উদ্দিন।